জাবির বিন সামুরা [রা:] থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ [সা:] আমাদের কাছে এসে বলেলেন: ফেরেশতা মন্ডলী যেমন তাদের প্রভুর সামনে কাতারবদ্ধ হয় তোমরা কি তেমন কাতারবদ্ধ হবে না ? আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: হে আল্লাহর রাসুল ! ফেরেশতা মন্ডলী তাদের প্রভুর সামনে কিভাবে কাতারবদ্ধ হয় ? তিনি বললেন: তারা আগের কাতারগুলো পূর্ণ করে এবং মাঝখানে ফাঁক না রেখে মিলিতভাবে দাড়ায় । [মুসলিম-৪৩০]
নামাজে কাতার সোজা করা এবং ফাঁক না রেখে দাঁড়ানো ।
মানুষের মৃত্যূর পর তিন ধরণের নেক আমল জারি থাকে ।
কর্মের ফল নিয়তের উপর নির্ভরশীল ।
আমীরুল মু’মিনীন আবূ হাফস উমার বিন খাত্তাব (রা:) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ (সা:) কে বলতে শুনেছি যে, সকল কাজের পরিণাম নিয়ত অনুযায়ী হবে । প্রত্যেক ব্যক্তি যে নিয়ত নিয়ে কাজ করবে সে তাই পাবে । সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হয়েছে, তার হিজরত আল্লাহর ও তাঁর রাসুলের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হয়েছে বলেই ধরা হবে । পক্ষান্তরে যার হিজরত দুনিয়া লাভ বা কোন মেয়েকে বিয়ে করার নিয়তে হয়েছে তার হিজরত উক্ত উদ্দেশ্যে হয়েছে বলেই পরিগণিত হবে । [ বুখারী-৬৬৮৯. মুসলিম-১৯০৭ ]
আবু হুরাইরা আবদুর রাহমান বিন শাখর (রা:) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন: মহান আল্লাহ তোমাদের শরীর এবং আকৃতির দিকে দেখেন না, বরং তোমাদের অন্তর ও কর্মের দিকে দেখেন । [ মুসলিম-২৫৬৪ ]
পছন্দনীয় এ অপছন্দনী স্বপ্ন ।
আবু সা'ঈদ খুদরী [রা:] থেকে বণির্ত । তিনি রাসুলুল্লাহ [সা:]কে বলতে শুনেছেন যে, তোমরা কেউ অপছন্দনীয় স্বপ্ন দেখলে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে, সুতরাং সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে এবং প্রিয়জনদের কাছে বলে । অপর বণর্নায় আছে সে যেন প্রিয়জন ছাড়া করো কাছে না বলে । আর অপছন্দনীয় স্বপ্ন দেখলে তা শয়তানের পক্ষ থেকে, সুতরাং সে যেন তার অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রথর্না করে এবং কারো কাছে না বলে । তাহলে তা তার কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না । [বুখারী-৬৯৮৫]
গর্ব বা অহংকার করা নিষিদ্ধ ।
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ [রা:] থেকে বর্ণিত । রাসুলুল্লাহ [সা:] বলেন যে, যারঅন্তরে অণু পরিমার অহংকার রয়েছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না । একব্যাক্তি বলল: মানুষ পছন্দ করে যে, তার পোশাক ও জুতা সুন্দর হোক । তিনিবললেন: নিশ্চই আল্লাহ সুন্দর, তিনি সৌন্দর্যকে পছন্দ করেন । কিবর বাঅহংকার হলো কোন ব্যাক্তির সদর্পে সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা এবং মানুষকেতুচ্ছজ্ঞান করা । [মুসলিম-৯১]
আবু সাঈদ খুদরী [রা:] থেকে বর্ণিত । তিনিবলেন: রাসুলুল্লাহ [সা:] বলেছেন যে, জান্নাত ও জাহান্তামের মধ্যে বিতর্ক হল ।জাহান্নাম বলল: দাম্ভিক ও উদ্ধতরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে । জান্নাত বলল:দুর্বল ও মিসকীনরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে । আল্লাহ উভয়ের মাঝে ফয়সালাকরে দিলেন: জান্নাত ! তুমি আমার রহমত । যে বান্দার প্রতি আমি রহম করারইচ্ছা করব, তোমার দ্বারা তার প্রতি রহম করব । আর জাহান্নাম ! তুমি আমারআযাব । আমি যাকে আযাব দেয়ার ইচ্ছা করব, তোমার দ্বারা তাকে আযাব দিব ।তোমাদের উভকে পূর্ণ করা আমার দ্বয়িত্ব । [মুসলিম-২৮৪৭]